শুভেন্দু অধিকারীকে শুভেচ্ছা জানালেন জিএম কাদের - Meghna News 24bd

সর্বশেষ


Tuesday, May 12, 2026

শুভেন্দু অধিকারীকে শুভেচ্ছা জানালেন জিএম কাদের



নিজস্ব প্রতিবেদক : গতকাল সোমবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান তিনি। আজ দলের পক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

শুভেচ্ছা বার্তায় জিএম কাদের বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয় এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি বলেন, এই সাফল্য শুধু ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য নয়, পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, দৃঢ়তা ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, শুভেন্দু অধিকারী এমন একটি রাজনৈতিক ও জনসেবামূলক ঐতিহ্যের ধারক, যা খুব কম রাজনৈতিক নেতার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

তিনি উল্লেখ করেন, শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির কুমার অধিকারী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য হিসেবে পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষের জন্য জীবনব্যাপী কাজ করেছেন। কাঁথি পৌরসভা থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত বিস্তৃত সেই পারিবারিক জনসেবার ঐতিহ্য শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

জিএম কাদের আরও বলেন, নন্দীগ্রাম আন্দোলন থেকে শুরু করে বিধানসভায় ধারাবাহিক দায়িত্ব পালন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শুভেন্দু অধিকারী একদিকে যেমন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্কও গড়ে তুলেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে এবং দুই বাংলার মানুষের মধ্যে শতাব্দীব্যাপী সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও মানবিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টি সবসময় সীমান্তের উভয় পাশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিশ্বাস করে। তিনি মনে করেন, শুভেন্দু অধিকারীর জনমুখী নেতৃত্ব দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।

বার্তার শেষে জিএম কাদের শুভেন্দু অধিকারীর নতুন দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে দুই বাংলার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সদ্ভাব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages