আশুলিয়া প্রতিনিধি :সাভার ইউএনও-র নাম ভাঙ্গিয়ে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোখলেসুর রহমান ইলিয়াস শাহীর অর্থ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে ঘটনাস্থল আশুলিয়া শ্রীপুরের তালপট্টি এলাকা থেকে ইলিয়াস শাহীর ম্যানেজার ফিরোজ কে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
জানাযায় আশুলিয়া শ্রীপুরের তালপট্টি এলাকায়ড় বসবাসরত ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল এর ফোনের হোয়াটস আপ নম্বরে সাভারের ইউএনও পরিচয়ে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সাভার ইউএনও নানা রকম অনুষ্ঠানে খরচ লাগবে তাই কিছু টাকা লাগবে। আর সাভার ইউএনও এর পরিচয়ে টাকা নিতে জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলের অফিসে আসে ইলিয়াস শাহীর ম্যানেজার ফিরোজ। আটককৃত ফিরোজ মিয়ার বয়স ৬১বছর তার দেশের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায় বর্তমানে সে আশুলিয়ার গাজিরচট এলাকার ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোখলেছুর রহমান ইলিয়াস শাহীর বাড়িতে থেকে তার অফিসে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।
ভুক্তভোগী ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল বলেন, ২৫ শে মার্চ সন্ধ্যা সাতটা একচল্লিশ মিনিটের দিকে আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ০১৮০৬৫৭৫৪০৫ এই নম্বর থেকে কল আসে কল কৃত ব্যাক্তি নিজেকে সাভার উপজেলা ইউএনও পরিচয় দিয়ে ২৬ শে মার্চ জাতীয় স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও অন্যানো অনুষ্ঠান আছে বলে কিছু খরচ পাতি দাবি করে, আমি তখন আমার ব্যাক্তিগত অফিসের বাইরে থাকায় আমি ইউএনও সাহেব কে আমার অফিসে লোক পাঠাতে বলি, এর কিছুক্ষপরে আমি অফিসে আসি এবং এসে দেখি বয়স্ক এক লোক এসেছে, সে নিজেকে সাভার ইউএনও এর লোক পরিচয় দিয়ে আমার কাছে অর্থ দাবি করে। তার কথা বার্তায় আমার কাছে সন্দেহজনক হলে আমি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সাভার উপজেলা ইউএনও সাইফুল ইসলাম কে মোবাইল ফোনে অবহিত করি তিনি বিষটি অস্বীকার করে বলেন যে নম্বরে কল দিয়ে ইউএনও পরিচয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে সেই নম্বর তার নয় বা তার অফিসের কোন স্টাফের এই নম্বর নয়। এবং তিনি কোন লোকও পাঠাননি বলে জানান,এটা টোটালি ফেইক হিসেবে অবহিত করেন। তিনি ঐ লোকটি কে পুলিশে সোপর্দ করার জন্য বলেন।
সাভার উপজেলা ইউএনও এর নাম ব্যবহার করে টাকা নিতে আসা ফিরোজের মোবাইলে বার বার কল আসছিলো, কল রিসিভ করার লাউড স্পিকার দিলে অপর প্রান্তের ব্যাক্তিটি বার বার বলছিলো টাকা পেয়েছো কিনা । এ সময়
ফিরোজের মোবাইলে আসা কল ও ইলিয়াস শাহীর ব্যাক্তিগত নম্বর দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হই এটি ইলিয়াস শাহি। তার পরেও আমি ফিরোজ কে তার মোবাইলে কল করা ব্যাক্তির বিষয়ে জানতে চাই । তখন ফিরোজ জানায় কলকারি ব্যাক্তি ইলিয়াস শাহী। তিনি আমাকে বলেছে আপনার কাছে সাভার ইউএনওর পরিচয়ে টাকা নিয়ে যেতে ।
পরে আমি আশুলিয়া থানায় খবর দেই,এবং ঘটনাস্থলে আসে এসআই আজিজ, তিনি ফিরোজের জবানবন্দি নিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় ।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃত ফিরোজ স্বীকার করে সে ইলিয়াস শাহীর নির্দেশে জাহাঙ্গীর আলম মন্ডলের অফিসে সাভার উপজেলা ইউএনওর পরিচয় দিয়ে টাকা নিতে এসেছে।
