![]() |
| পলাতক প্রতারক লিটন হোসেন রনি |
আশুলিয়া প্রতিনিধি :
স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারি কে চাকরির কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে প্রথমে জোর পূর্বক ধর্ষণ, অতঃপর বিয়ের নাটক,পরে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে উধাও হয়েছে যশোহরের শার্শা থানার সোনাতনকাটি গ্রামের মোস্তাক মিয়ার ছেলে মোঃ লিটন হোসেন রনি বর্তমানে আশুলিয়ার বাইপাইল সংলগ্ন এসএ পরিবহনের পাশে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো ।
নাম পরিচয় গোপান রাখার শর্তে ২৪ বছর বয়সী সাতক্ষীরা জেলার ঐ নারী বর্তমানে আশুলিয়ার বাইপাইলের এসএ পরিবহনের পাশে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
ভুক্তভোগী ঐ নারী জানান, আশুলিয়া ডিইপিজেডের সামনে ইন্ড্রাসট্রিয়াল ট্রেড সেন্টারে ৫ তলায় একটি পোষাক কারখানার অপারেটর পদে চাকরি করার সময় একই কারখানায় সুপারভাইজার পদে চাকরি করতো মোঃ লিটন হোসেন রনি। সে আমাকে প্রায় সময় উত্তপ্ত করতো, আমার সাথে মেশার সুযোগ খুজতো কিন্তু আমি তাকে পাত্তা দিতাম না, এক পর্যয়ে আমাকে আরো বেশি বেতনে চাকরি পাইয়ে দেবার বলে ওর বাসায় নিয়ে যায়। এ সময় সে আমাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি সে আমাকে জানাজানি না করতে বলে এবং সে আমাকে বিয়ে করবে বলে জানায়, আমার মানসম্মানের ভয়ে সব মেনে নেই। এবং সে গত ১৬ ডিসেম্বর আশুলিয়ার পল্লিবিদ্যুৎ এলাকার এক উকিলের কাছে গিয়ে কোট ম্যারেজ করে আমাকে করে বিয়ে করে,কিন্ত কাজি অফিসে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। এর পর আশুলিয়ার বাইপাইল সংলগ্ন এসএ পরিবহনের পাশে এক ভাড়া বাসায় আমরা দুজনে বসবাস করতে থাকি এর মাঝে সামান্য কথাকাটি নিয়ে সে আমাকে বেশ কয়েক বার মারধর করে আমার শরিরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। গত ২১/১/২৬ইং সকালে গোসল করতে গেলে সে আমার কানের দুল গলার চেইন নেকলেস আংটি, নাকের ফুল সর্বমোট ১ভরি৬ আনার স্বণালংকার, নগদ ২০ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল ফোন নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়, এসময় আমি ঘরে এসে জিনিসপত্র খোঁজাখুজি করতে গিয়ে কোন কিছু না পেয়ে তার ব্যবহারিত নম্বর ০১৩২০৭৮৯৪৭৮ নম্বরে কল দি কিন্তু তার নম্বরটি বন্ধ পাই।
তার সন্ধানে আমি এদিক সেদিক বহু খোঁজাখুজি করি তার কোন সন্ধান না পেয়ে আশুলিয়া একটি অভিযোগ দায়ের করি।
ঐ প্রতারক লিটন হোসেন রনি আমাকে বলেছিলো সে আগে বিয়ে করেনি অথচ পরে আমি খবর নিয়ে জানতে পারি সে আগে বিয়ে করেছে তার বউ বাচ্চা আছে। এ ছাড়াও তার সাথে আরো বেশকয়েকটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে।
এমতাবস্থায় আমি খুব বিপদে আছি আমার জীবনের সর্বর্ষ দিয়ে জমানো স্বর্ণের গহনা ও টাকা পয়সা নিয়ে আমাকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে লিটন ওরফে রনি আমি এ প্রতারকের উপযুক্ত বিচার চাই,আমার মালামাল গুলো ফেরত চাই।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় যোগাযোগ করা হলে দ্রুত প্রতারক লিটন ওরফে রণি আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান দায়িত্বরত এস আই।
ছবির উক্ত প্রতারক কে দেখা মাত্র নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
