কুমিল্লায় বাড়ি নির্মানে ২ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীকে কু’পিয়ে হত্যা - Meghna News 24bd

সর্বশেষ


Friday, January 31, 2020

কুমিল্লায় বাড়ি নির্মানে ২ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীকে কু’পিয়ে হত্যা



কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ  কুমিল্লা আদর্শ সদরের ১নং কালির বাজার ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামে গৃহ নির্মাণে চাঁদা না দেয়ার প্রবাসী ৩ভাইকে কু’পিয়ে গুরুতর আহত করে স্থানীয় স’ন্ত্রা’সীরা। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর মুক্তার হোসেন (৪৫) নামের একজন নি’হত হয়েছে বলে জানা গেছে। ছুটিতে দেশে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আহত অপর ২ভাইয়ের অবস্থাও আশ’ঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। নি’হত মুক্তার হোসেন দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। ঘটনাস্থলে নাজিরা বাজার ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় নিহ’তের বাড়ি আনন্দপুর ফরাজি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সেকান্দর আলী, নিহ’তের পরিবারের সদস্য, সৌদি আরব প্রবাসী রিপন সহ স্থানীরা বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কালা বাহিনীর নেতৃত্বে ৭/৮ জন পূর্ব দেশীয় অ’স্ত্র নিয়ে অত’র্কিত হাম’লা করে।
তারা আরো জানায় স্থানীয় কালা বাহিনীর প্রধান কালা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ভাবেপ্রবাসী মোক্তার হোসেনের পরিবারটির উপর নির্যাতন চালাচ্ছিলো। নানা ছুতোয় বিভিন্ন ভাবে পরিবারটির কাছে চাঁদা দাবী করে আসছিলো। এর আগে কালা বাহিনীকে একবার ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছিলো বলেও জানায় এলাকাবাসী। ঘটনার কিছুদিন আগে মোক্তার হোসেনের দুই ভাই দেশে এলে তারা গৃহ নির্মাণের কাজ শুরু করে। এসময় কালা তাদের কাছে ২লাখ টাকা দাবী করে গৃহ নির্মানে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে আগের দিন দ্বন্দের জেরে পরিকল্পিত ভাবে বৃহস্পতিবার বিকেলে মোক্তার হোসেন এর বাড়ির সামনে এসে কালা বাহিনীর লোকজন গালাগালি শুরু করে। এসময় মোক্তার হোসেন বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে ঘরের পাশেই তাকে কো’পাতে শুরু করে। চিৎকার শুনে সৌদি আরব প্রবাসী দু ভাই খোকন (৩০) ও ইমন (৩৪) ছুটে এলে তাদেরকেও কো’পাতে শুরু করে। পরে এলাকাবাসী ছুটে এলে আসামিরা চলে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোক্তার হোসেন কে মৃ’ত ঘোষণা করে। আহত দুজনের মাঝে ইমান হোসেনের অবস্থা আশংকাজন বলে জানা গেছে। তাদের কুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখার সময় বৃহস্পতিবার রাত ৯টায়, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল তানভীর সালেহীন ইমন। তিনি ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী মোক্তার মিয়ার ছেলে আরাফাত সহ এলাকার লোকজনের কাছে বিস্তারিত জানছিলেন। তাৎক্ষণিক ভাবে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে নাজিরা বাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মাহমুদ হাসান রুবেল বলেন, মারামারি হয়েছে শুনেছি তবে কি নিয়ে তা এখনো জানা যায় নি। তদন্ত চলছে পরে বিস্তারিত জানা যাবে। মোক্তার হোসেন নামে একজন নি’হত হয়েছে আহত দুজন কুমেক হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে জেনেনি। এই হ’ত্যাকা’ন্ডের সাথে জড়িতদের খুব দ্রুত গ্রে’ফতার করা হবে।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages